Showing posts with label রাজনীতি. Show all posts
Showing posts with label রাজনীতি. Show all posts

Thursday, September 18, 2025

মতুয়া, উদ্বাস্তু শরণার্থীদের ভয়ের কোনো কারন নেই তারা সকলেই ভারতের নাগরিকত্ব পাবে : রানী মা।

অভিরূপ সাহা, নদীয়া নিউস, কৃষ্ণনগর -- নাকাশি পাড়া বিধানসভায় SIR ও CAA  নিয়ে একটি আলোচনা শিবির থেকে কৃষ্ণনগর রাজবাড়ীর রানী মা অমৃতা রায় বক্তব্য দিতে গিয়ে বলেন, মতুয়া, উদ্বাস্তু, শরণার্থীদের ভয়ের কোনো কারন নেই তারা সকলেই ভারতের নাগরিকত্ব পাবেন। CAA এর আবেদন করার জন্যে আগে সময় দেওয়া হয়েছিলো ৩১ শে ডিসেম্বর ২০১৪। কিন্তু ভারত সরকার মতুয়া উদ্বাস্তু শরণার্থীদের কথা মাথায় রেখে বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে সেই সময়সীমা দশ বছর বৃদ্ধি করে দিয়েছেন।  
তাইতো প্রায় সকলেই CAA এর আবেদন করতে পারবেন। আমাদের রাজবাড়ীর তরফ থেকে ভারত সরকার সহ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহজী কে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করি। আমাদের পরিবার সর্বদা পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য লড়াই করেছেন । আমার ঠাকুমা শাশুড়ি জ্যোতির্ময়ী দেবী  নদীয়া জেলাকে ভারতের অন্তর্ভুক্তি করতে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীকে যোগ্য সহায়তা করেছিলেন। রাজ পরিবারের রানী মা হিসেবে  আমার জেলার প্রতিটা মতুয়া ,উদ্বাস্তু শরণার্থী  মানুষ যেভাবে নাগরিকত্ব পেতে পারেন আমরা তার যথাযথ ব্যবস্থা করব।

সেদিনের আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন রানী মা অমৃতা রায় সহ উদ্বাস্তু আন্দোলনের নেতৃত্ব  অনুপ কুমার মন্ডল, রাজ্যে নেতৃত্ব বঙ্কিম মন্ডল, প্রকাশ অধিকারী,  প্রদীপ ঘোষ, সঙ্গিতা ঘোষ, বিশ্বজিৎ সরকার , গৌতম বিশ্বাস , মহিতোষ ভৌমিক সহ একাধিক নেতৃত্ব বৃন্দ।
এই আলোচনা সভার মূল উদ্যোক্তা ছিলেন শিক্ষক অনুপ কুমার মন্ডল। তিনি নিখিল ভারত বাঙালি সমন্বয় সমিতির নদিয়া উত্তর জেলা সভাপতি। 



 

Saturday, August 2, 2025

২০২৬ এ করিমপুর বিধানসভায় বিজেপির লড়াই শক্ত, তবে বিজেপি যদি সঠিক প্রার্থী নির্বাচন করতে পারে তাহলে সামনাসামনি লড়াই হবে।

পার্থসারথী দত্ত, নদিয়া নিউজ, করিমপুর -২০২৬ এ করিমপুর বিধানসভায় বিজেপির লড়াই শক্ত তার কারণ এই বিধানসভায় সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ক একত্রিত থাকার কারণে  তৃণমূল কে অক্সিজেন দিতে পারে। তার থেকেও বড় কথা এখানে বিজেপির সংগঠন নেই বললেই চলে। সাংগঠনিকভাবে বিজেপি এখানে ততটা শক্তিশালী নয়। যতটা শক্তিশালী তৃণমূল এখানে তার অর্ধেক  সংগঠনও বিজেপির নেই এই বিধানসভায়। 
  ৪০% বুথে বিজেপির বুথ কমিটি নেই।  ৩০% বুথে বুথ সভাপতি থাকলেও তার কমিটি নেই। এই সংগঠন নিয়ে বিজেপির জয়ের স্বপ্ন দেখতে পারে না। কিন্তু এখনো সময় আছে সঠিক কার্যকর্তাদের দায়িত্ব দিলে এই সংগঠন হয়তো কিছুটা উন্নত করা যাবে। এই বিধানসভায় বিজেপির পুরনো কর্মীদের বসিয়ে রেখে সিপিএম থেকে আসার লোকজনদের কমিটির দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। বেশিরভাগ মন্ডল সভাপতিদের সিপিএম থেকে আসা লোকজনদের করা হয়েছে। এমনকি গত পঞ্চায়েত ভোটে ও  সিপিএম থেকে আসা লোকজনদের জেলা পরিষদ, পঞ্চায়েত সমিতির ও পঞ্চায়েতে টিকিট দেওয়া হয়েছে পুরানো কর্মীদের বসিয়ে রেখে। 
 যার কারণে এখানে বিজেপির সংগঠন পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। এমনকি গত ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সিপিএম থেকে আসা এমএলএ সমরেন্দ্রনাথ ঘোষ কে প্রার্থী করায়  কর্মীদের ক্ষোভের কারণে এই বিধানসভায় বিজেপি ভালো ফল করতে পারেনি। 
 সব থেকে বড় কথা বিধানসভা ভোটের পরে সমর বাবুকে সেভাবে মাঠে ময়দানে লড়াই করতে দেখা যায়নি। পার্টির কর্মসূচিতে সেভাবে দেখা যায়নি সমর বাবুকে। 
 এই সমস্ত কারণেই বিজেপির সংগঠন করিমপুর বিধানসভায় পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। বিজেপির সাংগঠনিক সমস্যা ও প্রশাসনিক সমস্যার কারণে এই বিধানসভার মানুষের অনেকটা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। 
 বিজেপির একমাত্র আশার আলো জ্বালিয়ে রেখেছেন  এক সময় বিজেপির  ছাত্র সংগঠন  করা  ও বর্তমানে জেলা কমিটির সম্পাদক মৃগেন কুমার বিশ্বাস। 
 একমাত্র তিনিই সারা বছর ধরে মাঠে ময়দানে থাকেন। তৃণমূলের দুর্নীতির বিরুদ্ধে তিনিই একমাত্র প্রতিবাদে সামিল হন। বাকি কাজকর্তাদের সেভাবে সামনে দেখা যায় না। 
 আমাদের জনমত সমীক্ষায় যে তথ্য উঠে এসেছে , এই বিধানসভা তৃণমূলের জয় সম্ভাবনা  ৭০-৩০%। বিজেপির এখানে আশা খুবই কম। 
তবু যদি এখন থেকে বিজেপির সংগঠন ঢেলে সাজায় এবং সঠিক প্রার্থী নির্বাচন করতে পারে  তাহলে বিজেপি এখানে শক্ত লড়াইতে ফেলে দিতে পারবে তৃণমূলকে। তখন যদি বিজেপির কোন পুরনো নেতৃত্বকে এখানে টিকিট দেওয়া হতো তাহলে আজকে সংগঠন এভাবে ভেঙে পড়তো না। ছাত্র বয়স থেকে রাজনীতি করে করে আসা  নেতৃত্ব মৃগেন কুমার বিশ্বাসকে  এই বিধানসভায় মানুষজন চেয়েছিল প্রার্থী হওয়ার জন্য। কিন্তু দল অন্য চিন্তা-ভাবনা করে  সিপিএম থেকে আসা নেতাকে টিকিট দিয়েছিল।  সেই কারণেই আজকের এই সংগঠনিক দুরবস্থা।
 এই বিধানসভায় সাধারণ মানুষের ও বিজেপি কর্মীদের  মতামতের ভিত্তিতে যে তথ্য উঠে এসেছে , তার থেকে পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে, সাংগঠনিক দূর্বলতার কারণেই বিজেপি পিছিয়ে পড়েছে এই বিধানসভায়। ২০২১ সালের ভুল  প্রার্থী  নির্বাচনের কারণে এখানকার সংগঠন আরো নষ্ট হয়েছে, এই অভিযোগ তুলেছেন এখানকার স্থানীয় বিজেপি কর্মীরা। 

Friday, August 1, 2025

নাকাশিপাড়া বিধানসভায় ২০২৬শে নতুন মুখ চাইছে শাসক বিরোধী দুই শিবির।

পার্থ সারথি দত্ত, নদিয়া নিউজ, নাকাশিপাড়া - বিভিন্ন জনমত সমীক্ষা ও নিউজ চ্যানেল এর সার্ভে থেকে যে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে, তাতে ২০২৬ এ বিধানসভা নির্বাচন তৃণমূল এগিয়ে থেকে শুরু করলেও এখানে যদি, কিন্তু,অথবা, পড়ন্তু,অনেক কিছু নির্ভর করছে ফলাফলের উপরে। 
 তার কারণ এই বিধানসভায় সংখ্যালঘু ভোটের উপর নির্ভর করেই তৃণমূল পরপর তিনবার জয়লাভ করেছে। কল্লোল খানের কোর ভোট ব্যাংক এই সংখ্যালঘু ভোটারা। সেই ভরসাতেই তৃণমূল এবং কল্লোল খান আগামী ২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন উপড়ে যাওয়ার চিন্তা-ভাবনা করছে। 
 কিন্তু বিজেপিও হাত গুটিয়ে বসে নেই, তারাও রণকৌশল শুরু করে দিয়েছে এই বিধানসভা কে নিয়ে।  ২০১৬ সালে বিধানসভা নির্বাচনের বিজেপি প্রার্থী শিক্ষক অনুপ কুমার মন্ডলকে সামনে রেখে বিজেপি  ২০২৬ শে একটা রণকৌশল ইতিমধ্যে হয়তো তৈরি করে ফেলেছে। তারকারন ২০২১ সালে বিজেপি প্রাথী শান্তনু দেব ভোট পরবর্তী সময়ে কর্মীদের সাথে সেভাবে যোগাযোগ রাখেনি। বর্তমানে তাকে সেভাবে দেখা যায় না পাটির কার্যক্রমে। অপর দিকে ২০১৬ সালের প্রাথী 
 শিক্ষক অনুপ কুমার মন্ডল পঞ্চায়েত সমিতির বিরোধী দলনেতা বর্তমানে। তিনি সমস্ত বিষয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে মুভমেন্ট করছেন। শাসকদলের ঘুম ছুটিয়ে দিয়েছেন তিনি। জুয়া সাট্টা দুর্নীতি সবকিছুর বিরুদ্ধেই তিনি সামনাসামনি লড়াইতে উত্তীর্ণ হচ্ছেন তৃণমূলের বিরুদ্ধে। শিক্ষক অনুপ কুমার মন্ডল এই মুহূর্তে বিজেপি মুখ হয়ে দাঁড়িয়েছেন এই নাকাশিপাড়া বিধানসভায়। 
 বিভিন্ন নিউজ চ্যানেলে যে সমস্ত সার্ভে উঠে আসছে তাতে দেখা যাচ্ছে, অনুপ কুমার মন্ডল এই মুহূর্তে নাকাশিপাড়া বিধানসভার সবচেয়ে জনপ্রিয় মুখ বিজেপির। 
 তবে শাসকদলের কল্লোল খান শারীরিক অসুস্থতার কারণে হয়তো এবার টিকিট নাও পেতে পারেন। সে ক্ষেত্রে অভিষেক ঘনিষ্ঠ কনিষ্ঠ চক্রবর্তী তিনিও এবার প্রার্থীর দৌড়ে আছেন। তবে এবার এই বিধানসভায় জোটের প্রার্থী যদি থাকে  তৃণমূল খুব সহজে জয়লাভ করতে পারবে না। সামনের বিধানসভায়  সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ক তৃণমূলের সাথে থাকবে এটা বলা যাচ্ছে না। 
নিয়োগ দুর্নীতি সহ বিভিন্ন দুর্নীতির কারণে সংখ্যালঘু ভোটাররাও আস্তে আস্তে তৃণমূলের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে শুরু করেছে। 
 তৃণমূলের থেকে বিজেপি এখানে তুলনামূলকভাবে ধীরে ধীরে তাদের সংগঠনকে গুছিয়ে নিতে শুরু করেছে। বর্তমানে এই বিধানসভায় শাসক দলের মাথা যন্ত্রণার কারণ হয়ে উঠেছেন অনুপ কুমার মন্ডল। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা কেলেঙ্কারি নিয়ে তিনি সোচ্চার হয়েছেন। 
 তিনি ব্লক উন্নয়ন সমষ্টি আধিকারিক এর কাছে লিখিতভাবে  আবাস যোজনার কেলেঙ্কারি নিয়ে অভিযোগ জানিয়েছেন। যেখানেই অন্যায় সেখানেই তিনি প্রতিবাদে সামিল হচ্ছেন তৃণমূলের বিরুদ্ধে অনুপ বাবু।
 তবে বিজেপির এখানে মাইনাস পয়েন্ট হলো এখানে প্রায় ৩৭ শতাংশ বুথে বিজেপির বুথ কমিটি নেই। কিছু কিছু বুথে, বুথ সভাপতি থাকলেও তাদের কমিটি নেই। 
 নাকাশিপাড়া বিধানসভার মন্ডল কমিটিগুলো রাজনৈতিক কর্মসূচি সেভাবে করছে না। যার কারনে বিজেপির প্রচারে ঘাটতি থেকে যাচ্ছে। আজ থেকে পাড়ায় সমাধান ক্যাম্প শুরু হয়েছে। 
 এই পাড়ায় সমাধানের মাধ্যমে তৃণমূল তাদের সংগঠনকে শক্তিশালী করতে চাইছে কিন্তু বিজেপি এই প্রকল্পের কিভাবে মোকাবেলা করে সেটাই দেখার। 
 কল্লোল খান তিনবার বিধায়ক হয়েছেন এই বিধানসভা থেকে। তিনি জানেন কিভাবে লড়াইটা করতে হয়। তাই বিজেপি থেকে যেই প্রার্থী হোক না কেন, তিনি যে কঠিন লড়াই তে পড়বেন সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না। এখন দেখার বিষয় আগামী ২৬শে কে বা কারা প্রার্থী হয়। তবে এখানে তৃণমূলের জয়ের সম্ভাবনা ৬০-৪০।
 

Sunday, July 27, 2025

নওপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েত এবং কুপার্স ক্যাম্পে জনসম্পর্ক কার্যক্রম SC মোর্চার

দীপঙ্কর বাছার, নদিয়া নিউজ, রানাঘাট - আজকে বিজেপি এসসি মোর্চার উদ্যোগে  রানাঘাট দক্ষিণ বিধানসভার অন্তর্গত নওপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েত এবং কুপার্স ক্যাম্পে জনসম্পর্ক কার্যক্রম করা হয়। বিজেপি SC মোর্চা, রাজ্য সভাপতি সুদীপ দাস উপস্থিত ছিলেন আজকের এই কার্যক্রমে।
 মূলত প্রান্তিক মানুষের সঙ্গে জন সম্পর্ক অভিযান  ও ভোটার তালিকা সংশোধন বিষয় নিয়ে মানুষকে সচেতন করার জন্য আজকের এই কার্যক্রম করা হয়েছে বলে জানান, সুদীপ দাস।।
নওপাড়া পঞ্চায়েতের একাধিক কার্যকর্তা ও কুপাস ক্যাম্পের দলীয় কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে আজকের এই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। 
 এছাড়া কার্যকর্তাদের বাড়িতে জনসংযোগ করা হয়।

নদীয়া জেলায় বিজেপি সংগঠন শক্তিশালী হলেও ২০২১ শের তুলনায় দুর্বল।

নন্দিতা দাশগুপ্ত, নদিয়া নিউজ, রানাঘাট - ২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনে যতটা বিজেপির হাওয়া ছিল তার তুলনায়  ২০২৬শে বিধানসভা নির্বাচনে অনেকটাই পিছিয়ে আছে। 
 ২০২১ সালে যে হাইপ তৈরি হয়েছিল  এবার সেটা কিন্তু নেই। এটা বিজেপির পক্ষে মঙ্গল হতে পারে। যে গণহারে মুড়ি-মুরকির মত  তৃণমূলের নেতা মন্ত্রীরা বিজেপিতে যোগদান করেছিলেন সেটা সাধারণ মানুষ ভালোভাবে নেয়নি। যার কারণে বাংলার মানুষ বিজেপিকে  ক্ষমতায় দেখতে চাইনি তৃণমূলকে সরিয়ে। এটা বিজেপির সাপে বর হয়েছে। আজকের তৃণমূলের আসল চেহারা মানুষের সামনে বিগত পাঁচ বছরে ফুটে উঠেছে।
 তৃণমূল আসলে যে হিন্দু সনাতনী মানুষের জন্য কোন কাজ করবে না সে যতই দীঘায় জগন্নাথ মন্দির তৈরি করুক না কেন। সেটা বাংলা সনাতনী মানুষরা বুঝে গেছে।
 এই জেলার তিন টি বড় শহর কল্যাণী,  কৃষ্ণনগর এবং রানাঘাট। এছাড়া বগুলা, বেথুয়াডহরি উল্লেখযোগ্য পৌরসভা গুলি অতীতের তুলনায় কিছুটা উন্নতি হলেও সামগ্রিকভাবে অনেকটাই পিছিয়ে আছে অন্যান্য জেলার তুলনায়। 

কৃষ্ণনগর ও রানাঘাট লোকসভার মধ্যে যে বিধানসভা আসন গুলি ২০২৬ শে বিজেপির জয়ের জায়গায় আছে।

দেবযানী সাহা,নদীয়া নিউজ, নদীয়া - ২০২৬ শে কৃষ্ণনগর ও রানাঘাট লোকসভার মধ্যে যে আসন গুলি বিজেপি জিততে পারে  এবং যে আসন গুলিতে লড়াই দিতে পারবে ...